প্রকাশিত: ১০ মে ২০২৬, ০২:৩০ এএম
1702
০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম
ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক একসাথে কোনো ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বুমের সাথে প্রিন্ট মিডিয়ার বুম ধরতে গেলে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কিছু সাংবাদিকের !
ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক একসাথে কোনো ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে গেলে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বুমের সাথে প্রিন্ট মিডিয়ার বুম ধরতে গেলে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কিছু সাংবাদিকের !
ঐ সময়ের আচরন দেখে বুঝা যায় তারা কতটা অহংকারী. অভদ্র ও বৈষম্য বাদী। এক সাংবাদিক আরেক সাংবাদিক কে সম্মান দেয়না বলেই অপরাধীরা তাদের নির্যাতন করতে সাহস পায়। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কিছু সাংবাদিক মনে করে তারাই খুব বেশি বড়। মনে রাখবেন যখন শুরু করেছিলেন তখন কিন্তু এত বড় ছিলেন না।
ঠুস খেতে খেতে ই শিখেছেন এবং বড় হয়েছেন,কেউ না কেউ নিজের জায়গায় আপনাকে দাঁড় করিয়ে হাতে ধরে শিখিয়েছে। তাই আপনি ও নিজের জায়গায় নতুনদের দাঁড় করিয়ে শিখান, নিজের হাতের মাইকটা নতুনদের দিয়ে তাদের কথা বলার সুযোগ দিন। সামনের সারিতে আপনি দাঁড়িয়ে না থেকে নতুন দের সামনে দাঁড় করিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথটা ধরিয়ে দিন।
সামনে যাওয়ার সুযোগ দিন কথা বলার সুযোগ দিন শিখার সুযোগ দিয়ে শিক্ষিত করে তুলুন দেখবেন শিক্ষিত হয়ে নিজের চেয়ারটা আপনাকে এগিয়ে দিয়ে বসাবে সম্মান করবে আপনাকে উচ্চ স্থানে রাখবে। ধমক দিয়ে ধাবিয়ে না রেখে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিন,শিখান, সহযোগিতা করুন। আপনি আপনজন কাছের মানুষ তাই আপনার থেকে ভালো প্রশিক্ষণ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান দিতে পারবেনা।
ছোট বড় বৈষম্য না করে ছোটদের বড় হওয়ার সুযোগ দিন। না পারা গুলোই ঠেকতে ঠেকতে শিখবে,পড়তে পড়তে উঠে দাঁড়াবে, ঠুস খেতে খেতে হাঁটবে, এগিয়ে যাবে, দৌড়াবে, এবং একদিন আপনার মত বড় হবে। তখন আখেরে আপনার শক্তিই বৃদ্ধি পাবে। আপনার মাথায় কেউ লাঠি মারতে আসলে হাত দিয়ে ফিরাবে,আপনাকে রক্ষা করবে, আপনার নির্যাতনের!
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে।