প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২৬, ১২:৪৬ এএম
1697
০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আটকে রাখা শুধু অন্যায় নয়, এটি চরম অমানবিকতাও।
তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আটকে রাখা শুধু অন্যায় নয়, এটি চরম অমানবিকতাও।
যারা দিনরাত পরিশ্রম করে কারখানা, প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখে—তাদের ঘরে যখন সন্তানের খাবার জোটে না, তখন সেই দায় শুধু মালিকের নয়, পুরো সমাজেরও।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, নিজেদের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য মজুরির দাবিতে রাজপথে নামলে শ্রমিকদের ওপর পুলিশি ভয়ভীতি, হামলা কিংবা মাস্তান দিয়ে দমন করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে নিরীহ শ্রমিকদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিও করা হয়।
ইসলাম শ্রমিকের অধিকারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। মহানবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন,
“শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করো।”
এই হাদিস শুধু একটি উপদেশ নয়, বরং ন্যায়বিচার ও মানবিকতার স্পষ্ট নির্দেশনা।
ইসলাম কখনো জুলুমকে সমর্থন করে না। শ্রমিকের হক নষ্ট করা, তাদের কষ্টের উপার্জন আটকে রাখা কিংবা দাবি আদায়ে নির্যাতন চালানো—সবই অন্যায় ও গুনাহের কাজ। মনে রাখতে হবে, মজলুমের আর্তনাদ আল্লাহর দরবারে সরাসরি পৌঁছে যায়।
শ্রমিক কোনো দয়া নয়, তাদের ন্যায্য অধিকার চায়। তাই অবিলম্বে বকেয়া বেতন পরিশোধ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে শ্রমিকের সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
Tarique Rahman #শ্রমিক #গাজীপুর